মুরাদনগরে চাহিদা ১৩ হাজার ৫শ’। বিক্রির জন্য আছে ১৩ হাজার ৮শ’ ৭১টি গরু ।। দুশ্চিন্তায় ৩ হাজার ৩২জন খামারিরা

আবুল কালাম আজাদ ভূইয়াঃ আসন্ন ঈদুল আজহার কোরবানীর পশুর হাট। কোরবানীর পশু নিয়ে দুশ্চিন্তায় করছেন ৩ হাজার ৩২জন খামারির উদ্যোক্তারা । এবার মুরাদনগরে প্রায় ৭লাখ মানুষের গরুর চাহিদা রয়েছে ১৩ হাজার ৫শ’। বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা আছে ১৩ হাজার ৮শ’ ৭১টি গরু। উদ্যোক্তরা মনে করেন, কোরবানির পশুর হাট না বসলে ন্যায্য দাম পাওয়া যাবে না। এতে করে তার অনেক লোকসান গুনতে হবে। বর্তমানে গো-খাদ্যের দাম আকাশ ছোয়া! করোনার প্রকোপ না কমলে কোরবানির হাটে তেমন ব্যাপারি আসবে না। কুমিল্লা জেলায় অনলাইন পশুর হাট থাকলেও মুরাদনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড.কামরুল আহমেদ খান নিজ উদ্যোগে ‘মুরাদনগর অনলাইন পশুর হাট’ নামে ফেসবুক পেইজ খোলেছেন।

কুড়াখাল গ্রামের ইউপি’র সদস্য মোঃ ময়নুল ইসলাম সরকার ৩৬টি, আব্দুল আওয়াল সরকার ১৫টি, পুস্কুনিপাড় গ্রামের গ্রীন এগ্রো ১৫০টি, গেয়াস উদ্দিনের ২টি, পুস্কুনিপাড় গ্রামের সৌদী প্রবাসী জিলানী ২টি, বাখরনগর গ্রামের হাজী ডেইরী ফার্ম ১০টি, বাখর নগর পশ্চিম পাড়া মোঃ সেলিম ১৫টি, যাত্রাপুর গ্রামের আলমগীর হোসেন ভূইয়া এগ্রো কমপ্লেক্স ২টি, খামার গ্রাম গ্রামের আল আমিন ৬টি, বাইড়া গ্রামের উত্তর পাড়া কাঞ্চন মিয়া ২টি। চাপিতলা গ্রামের ৩টি খামারে প্রায় ৪০টি, মুরাদনগর সদর ইউনিয়নের প্রবাসী আহাম্মদ উল্লাহ ২৮টি গরু। ভবানীপুর গ্রামের উদ্যোক্তা নিজুম আহাম্মদ ২০ গরুটি। নগরপাড় গ্রামে ‘আব্দুল্লাহ ডেইরি ফার্ম’ খামারী ফরিদ মিয়া খামারের সবচেয়ে বড় গরুটির নাম শখ করে রেখেছেন রাজা বাবু। ভাল দাম না পাওয়ায় গত ঈদে বিক্রি করেনি রাজা বাবুকে। ৫ বছর বয়সের রাজা বাবুর ওজন এখন প্রায় ৩০ মন। গরু রয়েছে ৩৫টি। দৌলতপুর গ্রামে রোকেয়া বেগমের বিক্রি যোগ্য গরু রয়েছে ১৬টি, যাত্রাপুর পূর্ব পাড়া শাহ আলম ভূইয়া ২টি গরু। ছোট বড় খামারী রয়েছে ৩ হাজার ৩২জন।

মুরাদনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. কামরুল আহমেদ খান জানান, চলতি বছরে করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে হাটে গরু বিক্রি ও দাম নিয়ে চিন্তিত খামারিরা। আমরা ইউনিয়ন উদ্যোক্তদের নিয়ে ‘মুরাদনগর অনলাইন পশুর হাট’ নামে একটি ফেসবুক পেজ খুলেছি। খামারিদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত আছে। আগ্রহী খামারি থেকে গবাদি প্রাণীর ছবি সংগ্রহ করা হচ্ছে। তা অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রির জন্য প্রচার করা হবে। এবার গরুর চাহিদা রয়েছে ১৩ হাজার ৫শ’। বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা আছে ১৩ হাজার ৮শ’ ৭১টি গরু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *